ভবিষ্যতের নেতৃত্বের প্রতীক: সজীব ওয়াজেদ জয়ের আসন্ন ভারত সফর, অপপ্রচারের প্রতিবাদ এবং জাতির জন্য এক আশাব্যঞ্জক বার্তা

sorbosesh24.com
মতামত

(৮ মাস আগে) ২১ মে ২০২৫, বুধবার, ৪:২২ অপরাহ্ন

সজীব ওয়াজেদ জয়—জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য সন্তান—শিগগিরই ভারত সফরে যাচ্ছেন। সফরের উদ্দেশ্য মূলত পারিবারিক, তবে এর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক তাৎপর্যও অবজ্ঞা করার নয়। এই সফরে তিনি ভারতের মাটিতে অবস্থানরত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন, যা আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ ঐক্য এবং প্রবাসী নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করার এক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

কিন্তু তাঁর এই সফরের পূর্বমুহূর্তেই একটি অপচেষ্টা শুরু হয়েছে—একটি সুপরিকল্পিত অপপ্রচার, যা কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠী ও বিভ্রান্তিকর মিডিয়া পরিচালিত করছে। উদ্দেশ্য একটাই—একজন সম্ভাব্য সফল নেতৃত্বকে কলুষিত করা, যার নাম সজীব ওয়াজেদ জয়।

তাঁকে যারা বলেন “রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নেই”, তারা আজকের বিশ্ব রাজনীতির জটিল বাস্তবতা বুঝতে অপারগ। রাজনীতি এখন আর কেবল মিছিল-মিটিংয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই—এটা আজ নীতিনির্ধারণ, প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসন, আন্তর্জাতিক কূটনীতিক ভারসাম্য রক্ষা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার বাস্তব ক্ষমতার প্রতীক। আর এই ক্ষেত্রগুলোতে সজীব ওয়াজেদ জয় ইতোমধ্যেই তাঁর প্রজ্ঞা ও দক্ষতার প্রমাণ রেখেছেন।

জাতির পিতার রক্তধারা এবং শেখ হাসিনার উত্তরসূরি—এক ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার বাংলাদেশ আজ এক কঠিন রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। বহুমুখী চ্যালেঞ্জ, বিভাজন, এবং অভ্যন্তরীণ চাপের মুখে আওয়ামী লীগের প্রয়োজন একজন ঐক্যের প্রতীক—একজন নেতা যাঁর নামেই কর্মীরা আস্থা পায়, সাধারণ মানুষ স্বস্তি পায়।

এই প্রেক্ষাপটে সজীব ওয়াজেদ জয় শুধু একজন তরুণ প্রযুক্তিবিদ নন, তিনি হচ্ছেন বঙ্গবন্ধুর রক্তধারা বহনকারী এবং শেখ হাসিনার উত্তরসূরি—যাঁর নাম আওয়ামী লীগের জন্য একটি ঐতিহাসিক ও আবেগঘন প্রতীক। তিনি এমন একজন নেতা, যিনি বংশানুক্রমিক মর্যাদা নিয়ে আসলেও নেতৃত্বের যোগ্যতা অর্জন করেছেন নিজের কৃতিত্বে। তাঁর নেতৃত্বে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ শুধু একটি স্লোগান ছিল না, বরং এটি বাংলাদেশের প্রযুক্তিনির্ভর রূপান্তরের এক বাস্তব বাস্তবতা হয়ে উঠেছে।

আওয়ামী লীগের সংকটকালে ঐক্যের প্রতীক হিসেবে সজীব ওয়াজেদ জয় আওয়ামী লীগ বর্তমানে নানা অভ্যন্তরীণ চাপ, জনসম্পৃক্ততা সংকট এবং বহির্বিশ্বে রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এই সময় দলের প্রয়োজন একজন তৃতীয় প্রজন্মের নেতা, যিনি পুরনো ও নতুনের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে পারেন—যিনি বাঙালির ইতিহাস জানেন, আবার ভবিষ্যতের প্রযুক্তিগত ও বৈশ্বিক বাস্তবতাও বোঝেন।

সজীব ওয়াজেদ জয় এই দ্বৈত চরিত্র ধারণ করতে সক্ষম—একদিকে তিনি বঙ্গবন্ধুর নাতি, অন্যদিকে একজন বিশ্বদর্শী প্রযুক্তিবিদ ও রাষ্ট্রচিন্তক। তিনি একমাত্র নেতা যাঁকে ঘিরে আওয়ামী লীগের প্রজন্মগত দূরত্ব ঘুচতে পারে। তাঁর নেতৃত্ব দলকে শক্ত ভিতের উপর দাঁড় করাবে, তরুণদের দলমুখী করবে, এবং রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনার মিশ্রণে একটি নতুন যুগের সূচনা ঘটাবে।

জাতির জন্য এক আশাব্যঞ্জক বার্তা

সজীব ওয়াজেদ জয়ের ভারত সফর শুধু একটি সৌজন্যমূলক ভ্রমণ নয়—এটি হতে পারে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ভবিষ্যৎ কৌশলগত সম্পর্ক উন্নয়নের ভিত্তিপ্রস্তর। একইসঙ্গে এটি আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ শক্তি পুনর্গঠনেরও ইঙ্গিতবাহী।

বাংলাদেশের মানুষ আজ এমন এক নেতার খোঁজে আছে, যিনি একদিকে দেশপ্রেমিক, অন্যদিকে আধুনিক, যিনি বিশ্বকে জানেন, আবার মাটির গন্ধও বোঝেন। সজীব ওয়াজেদ জয় সেই যোগ্যতা রাখেন। যদি জাতি তাঁকে চায়, তবে তিনি হতে পারেন একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, দূরদর্শী ও শান্তিময় বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কান্ডারি।

 

শাখাওয়াত হোসেন
আমেরিকান প্রবাসী বাঙালি ব্যবসায়ী
প্রাথমিক সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ।